1. admin@drstisimana.com : admin :
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
বাইশারীতে নৌকার মাঝি আলমকে কয়েক শত গাড়ির বহর নিয়ে বরন। শ্রীনগরে কোলাপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি পথ পেল নূরনবী অন্তু। নাইক্ষ্যংছড়ির ২ ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ৬ মেম্বার পদে ৬৮ জন প্রার্থী ফরম নিলেন। কথাসাহিত্যিক খালেকদাদ চৌধুরীর ৩৬তম প্রয়াণ দিবসে আলোচনা সভা। ফাইতংয়ে জনতার রিক্ত সিক্ত ভালবাসায় নৌকা প্রতীকে শুভযাত্রা ও পথসভা ওমর ফারুক। ফোক গানের জনপ্রিয় লেখক জাকির মাস্টার সপরিবারে সিলেট। কুচাই পট্টি ইউনিয়নে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের উদ্বোধন। নওগাঁয় সড়ক দূর্ঘটনায় ভ্যান চালক নিহত, একজন আহত। জলবায়ু পরিবর্তন বাস্তচ্যুতি এবং অভিবাসন বিষয়ক উপজেলা পর্যায়ে সংলাপ। ঝিনাইদহে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা খুন।

লক্ষ্মীপুরে রামগঞ্জ উপজেলার ধান কাটার শ্রমিকের সংকট।

মোঃ জসিম উদ্দিন রামগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে:

লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বৈশাখের প্রথম থেকেই ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু করেছে স্থানীয় কৃষকেরা। নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে কৃষকের মুখে হাসি ফুটে ওঠলেও ধান কাটার শ্রমিকই পাচ্ছেন না তারা।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর ফলন বেশি হয়েছে বলে কৃষকদের ধারনা। কিন্তু শ্রমিক সংকটের কারণে কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না কৃষকরা। গোটা দেশে করোনার কারনে কঠোর লকডাউন চলছে। গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। যদিও ধান কাটার শ্রমিকদের জন্য লকডাউন শিথিল যোগ্য। তারপরও বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, শেরপুর, পাবনা ও কিশোরগঞ্জ থেকে শ্রমিক না আসায় পাকা ধান কাটতে পারছে না।

গত বছর লকডাউনে সর্ব দলীয় নেতারা অনেকে ধান কেটে দিলেও এবার কারো দেখা নেই। এতে ফসল নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কৃষকরা। আর যা-ও কিছু শ্রমিক পাচ্ছেন, তাদের একজন শ্রমিককে মাথাপিছু দিতে হচ্ছে ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত। আবার চুক্তিতে ধান কাটালে গুন্ডা প্রতি গুনতে হচ্ছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। সাথে আরো দিতে হচ্ছে তিন বেলা খাবার, বিড়ি ও নাস্তার টাকা। এতে করে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় ক্রমেই বেড়ে চলছে।

লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার হাসন্দী ও রামগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুর, বদরপুর, গরিপুর গৌরীপুর গ্রামের কৃষকেরা হতাশা নিয়ে বলেন, আমরা কোন দিকে যাব।বিগত বছরগুলোতে ধানের তেমন একটা ভাল ফলন পাইনি। অতি বৃষ্টিতে ধান তলিয়ে গেল আবার কোনো বছর খড়ায় ধানে চিটা হয়ে গেল। আর এ বছর পাকা ধান কাটাতেই পারছি না। ফসল মাঠে পড়ে আছে। শ্রমিক পাচ্ছি না। আর যা-ও পাচ্ছি তারা আবার অনেক মজুরি নিচ্ছে ।

কিন্তু তারপরও অনেক কষ্টে ধারদেনা নিয়ে টাকা জোগার করে জমি চাষ করেছি। কিন্তু এখন পাকা ধান কাটার শ্রমিক পাচ্ছি না। কৃষকেরা বলেন যদি উপজেলা কৃষি অফিস কর্মকর্তারা আমাদের ধান কাটার মেশিনের ব্যবহার বাড়ালে এ সমস্যা আর থাকবে না।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
আমাদের এখান থেকে কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং আমাদের এখানে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোন প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পূর্ণ দায়ী থাকিবে নিউজ পেরন কারী সাংবাদিক। (মানবিক দৃষ্টি সীমানা ফাউন্ডেশন এর একটি প্রতিষ্ঠান) 
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It