1. admin@drstisimana.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
মুন্সীগঞ্জে পানের দাম কমে যাওয়ায় চাষীদের মাথায় হাত। স্ত্রীর মামলায় সওজের প্রকৌশলী ঝিনাইদহ র‌্যাবের হাতে আটক। কাল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন বির্দশন বড়ুয়া। ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি ভালুকা’ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকিতে ব্যাপক প্রস্তুতি। বুড়িগোয়ালিনী নৌকার প্রার্থী সুন্দরবন প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা। শ্রীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচনে নতুন সভাপতি আঃ লতিফ, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন। ছেলে কে ভর্তি করাতে এসে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল পিতার। মহাদেবপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত। নেত্রকোনায় দাদন ব্যবসায়ী ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

দিনাজপুরের বিরামপুরে তরমুজের দাম অনেক বেশি, অভিযোগ ক্রেতাদের।

মোঃ জসিম উদ্দিন, স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে:

দিনাজপুরের বিরামপুরে মৌসুমী ফল হিসেবে তরমুজের বেশ জনপ্রিয়তা রেয়েছে। আবার সেই মৌসুমী রসালো ফল তরমুজ এখন ৪৫/৫০টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা সাধারণেরা অভিযোগ করে বলেন তরমুজ ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করেই তাদের পছন্দ মত দাম হাকিয়েছেন।

মৌসুমী ফল তরমুজ বের হওয়ার পর থেকে ১ম রমজান থেকে ১৩ রমজান পর্যন্ত গতকাল তরমুজ ব্যবসায়ীরা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে আসছিলো। কিন্তু আজ হঠাৎ করে ব্যবসায়ীরা ৪৫/৫০টাকা প্রতি কেজি দরে দাম হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন। এতে করে অনেকের সাথে এবং ক্রেতা বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমত ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, পৌর শহরের ইসলামী ব্যাংকের সামনে, অবসর মোড়, বাসষ্ট্যান্ড, রমুক্তিযোদ্ধা হোটেলের সামনে এবং লাইনপাড় বেশ কিছু দোকানদারা তারা ৪৫/৫০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছে।

তরমুজ কিনতে আসা দিনমজুর মোকলেছ আলী বলেন, আমি সারাদিন কাজ করে ৩শ টাকা পাই উপার্জন করি। এই রোজগারে টাকায় চাল, ডাল, মাছ, তরকারি কিনলে আমার কাছে আর টাকা থাকেনা। তারপর ১টি তরমুজ ওজন ৫/৬ কেজি তার দাম আবার ২৫০ হতে ৩০০ টাকা। সারাদিন যা আয় করছি তা দিয়ে যদি তরমুজ কিনি তাহলে আমার সংসার চলবে কেমন করে। তাই আমার পক্ষে তরমুজ কেনা সম্ভব না।

তরমুজ কিনতে আসা আরেকজন ক্রেতা অটোচালক মানিক জানান, সারাদিন গাড়ী চালিয়ে ৪শ টাকা আয় করি, আর লোকজন না থাকায় আয় ও কিছুটা কম হচ্ছে। বেলা শেষে যা আয় করি কোন রকম বউ বাচ্চা পরিবার পরিজনদের নিয়ে খেয়ে পরে বেঁচে আছি। আমার এই রোজগারে তরমুজ কেনার সাধ্য কোথায়।

বাজারের কয়েকজন খুচরা তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা আবার আমাদের কাছে কেজিতে বিক্রি করে। আমরাও তখন কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
আমাদের এখান থেকে কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং আমাদের এখানে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোন প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পূর্ণ দায়ী থাকিবে নিউজ পেরন কারী সাংবাদিক। (মানবিক দৃষ্টি সীমানা ফাউন্ডেশন এর একটি প্রতিষ্ঠান) 
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It