1. admin@drstisimana.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
মুন্সীগঞ্জে পানের দাম কমে যাওয়ায় চাষীদের মাথায় হাত। স্ত্রীর মামলায় সওজের প্রকৌশলী ঝিনাইদহ র‌্যাবের হাতে আটক। কাল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন বির্দশন বড়ুয়া। ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি ভালুকা’ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকিতে ব্যাপক প্রস্তুতি। বুড়িগোয়ালিনী নৌকার প্রার্থী সুন্দরবন প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা। শ্রীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচনে নতুন সভাপতি আঃ লতিফ, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন। ছেলে কে ভর্তি করাতে এসে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল পিতার। মহাদেবপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত। নেত্রকোনায় দাদন ব্যবসায়ী ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

এসএসসি ব্যাচ-২২ এর শর্টসিলেবাস না বাঁশ!

লেখক: কবি মোঃ রাসেল হাসান-
  • আপডেট সময়: শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে:

 

সম্প্রতি এসএসসি ব্যাচ ২০২২এর যে দীর্ঘ সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে শিক্ষার্থীদের জন্য তা মানসিক ভোগান্তি দেওয়া ছাড়া আর কিছু নয়।বলার অপেক্ষা রাখে না শিক্ষার্থীরা এতে কতটা উদ্বিগ্ন! সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকেই দেখা যায় তাদের ক্ষোভ, মানসিক টেনশন ও তীব্র বিরোধিতা।শিক্ষার্থীরা এ নিয়ে কতটা মানসিক যন্ত্রণা ও অস্থরতায় সময় যাপন করছে তার আরেকটি দৃষ্টান্ত পাবেন ssc batch-2022 নামক একটি ফেসবুক গ্রুপে (পাবলিক)।এসএসসি ব্যাচ-২০২১এর সিলেবাস যেখানে কমিয়ে ৩০%এ আনা হয়েছে এসএসসি ব্যাচ-২২এর সেখানে ৭০%!আশ্চর্য ও হতবম্ভ হওয়ার বিষয় এই যে, ২১ব্যাচের স্টুডেন্টরা ক্লাস নাইনের পুরোটা বছর স্কুলে ক্লাস পেয়েছে। আবার টেনেও কয়েকমাস পেয়েছে। পক্ষান্তরে ২২ব্যাচটি মাত্র দুই/তিন মাস স্কুলে ক্লাস করতে পেরেছে।অতএব, এ বৈষম্যের যৌক্তিকতা কি?
এ করোনাকালীন সময়ে শহরের শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাস করলেও মফস্বলের শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে না বললেই চলে। আর শহরের যে স্টুডেন্টরা করছে তারাও পূর্বের সুস্থ পৃথিবীর ন্যায় যথেষ্ট মনোযোগ ও দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে পড়াশোনা করছে না।
শিক্ষামন্ত্রী ইতোপূর্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা প্রসঙ্গে এইরূপ কথা বলেছিলেন যে, “শিক্ষার্থীরা এক বছর পড়াশোনা না করলেও বিরাট ক্ষতি হবে না কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে বহু মায়ের কোল খালি হবে।” এই কথার সাথে আমি পুরোপুরি সহমত পোষণ করি।বাস্তবিক পক্ষেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা হচ্ছেই না।এমতাবস্থায় এই কঠিন এবং দীর্ঘ সিলেবাস নির্ধারণ শতকরা ৫% শিক্ষার্থীরা চরম ঘৃণা এবং পরম ক্ষোভের সাথে মেনে নিলেও অনেকে বেঁচে নিতে পারে আত্মহত্যার মতো পথ। কারণ আমরা ইতোপূর্বেও দেখেছি এবং এখনও প্রতিদিনের খবরের কাগজ উল্টালেই দেখি- “পাবজি খেলার জন্য ৫০টাকা না দেওয়ায় আত্মহত্যা”র মতো শীর্ষক শিরোনামে নামে অহরহ নিউজ। এ থেকেই বোঝা যায় শিক্ষার্থীদের মন কতটা আবেগপ্রবণ। পাবজি খেলে পয়েন্ট কম করলে মান-সম্মান যাওয়ার মতো কিছু থাকে না। পরীক্ষায়ও নাম্বার কম পেলে বা ফেল করলেও এমনটা থাকে না। কিন্তু শিক্ষার্থীদের কোমল মন সেটা খুব সিরিয়াসভাবে নেয়। যে, ফেল করলে বা কম নাম্বার পেলে বন্ধু-বান্ধবরা, বাবা-মা, পড়া-প্রতিবেশীরা কি বলবে। যদিও কিছু বলে না। আবার অনেক পিতা-মাতা বলেও। তরা এতটাই চাপে রাখে, শিক্ষার্থীরা কম মার্ক পেলে অবলীলায় আত্মহত্যাকে বেচে নেয়।এ বৈষম্যের শিকার কোনো শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ নির্ধারণ করলে দায় কার?

লেখক: কবি
মোঃ রাসেল হাসান
mdraselh043@gmail.com

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
আমাদের এখান থেকে কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং আমাদের এখানে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোন প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পূর্ণ দায়ী থাকিবে নিউজ পেরন কারী সাংবাদিক। (মানবিক দৃষ্টি সীমানা ফাউন্ডেশন এর একটি প্রতিষ্ঠান) 
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It