1. admin@drstisimana.com : admin :
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
মির্জাগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম ক্রয় করলেন আবদুল আজিজ হাওলাদার। আ.লীগের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু। শ্রীপুরে বেশ কিছু পূজামন্ডপ পরিদর্শণ করলেন এমপি সবুজ। কালীগঞ্জে ক্রেতার ছদ্মবেশে ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক করলো ডিবি পুলিশ। আসন্ন সামন্তসার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান তৌহিদ আহমেদ। গাজীপুরের শ্রীপুরে পূজামন্ডপ পরিদর্শণ করলেন এমপি সবুজ। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নূর হোসেন এর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা। ২নং মির্জাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বাবুল মেম্বার “জনপ্রিয়তায় শীর্ষে”২৫০ এর অধিক মোটরসাইকেল নিয়ে সোডাউন। সারাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ। বান্দরবানের ট্রাকে ধাক্কায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত- আহত ১

রাজশাহীর আমের বাজার মূল‍্য কম বলে দিশেহারা

আবুল হাশেম রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে:

আম মৌসুমে রাজশাহী অঞ্চলে প্রায় দশ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়। আম বাগান পরিচর্যা, সংগ্রহ ও পরিবহন, বিক্রিসহ অন্যান্য ধরনের কাজে যুক্ত হন তারা। সারাবছরে তাদের আয়ের অন্যতম মৌসুম এটি।রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় আমের মধ্যে ফজলি, হিমসাগর (খিরসাপাত),গোপালভোগ, মহনভোগ, ল্যাংড়া বিখ্যাত। এছাড়া বৌ-ভোলানি, রাণিপছন্দ, জামাই খুশি, বৃন্দাবন, তুতাপরি, লখনা, বোম্বাই, দাউদ ভোগ, সিন্দুরি, আম্রপালি, আশ্বিনা, ব্যানানা, মল্লিকা, ক্ষুদি খিরসাপাত, কালীভোগসহ শতাধিক জাতের আম রয়েছে।মেসার্স শাহাদোলা ফল ভান্ডারের আম সরকার,দুলাল হোসেন বলেন- এ-ই বছর আমের মুল্য অন্যান্য বছরের থেকে অনেক কম। বাজারে আমের চাহিদা নেই বললেই চলে। মুকাবে আমের চাহিদা তেমন নেই এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানের সম্মুখীন হতে পারে।আমের দাম এত কম কেন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন – বাজারে আমের আমদানি বেশি। সে তুলনায় ব্যবসায়ীরা কম এসেছেন। ক্রেতা কম থাকায় আমের দামও তুলনামূলক কম।মোঃ রবি শেখ, বাঘা পুরাতন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বালিকা বিদ্যালয়ের দক্ষিণে পাইকারী ও খুচড়া আম বিক্রেতা জানান, এ বছর শ্রমিকদের মজুরি, সার ও কীটনাশক বেশি দিতে হয়েছে। ফলে আম উৎপাদনে খরচ বেশি হয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় দাম পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা বাজারে না আসা পর্যন্ত আমরা ন্যায্যমূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হব।মুকামে হিমসাগর ( খিরসাপাত) আমের চাহিদা ব্যতীত অন্যান্য আমের তেমন চাহিদা নেই। বাজার খবর নিয়ে জানা যায়, ২সাপ্তা আগে হিমসাগর আম ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৪০-৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। তবুও এ-ই আম ছাড়া বাকি আমের মুল্য পাচ্ছে না ব্যবসায়ী গন।এছাড়া কয়েক গত বছরের থেকে চলতি বছরে অনলাইন আমের ব্যবসা অনেকগুন বেশী। এই করোনার কারণে বাজারে প্রায় ক্রেতা শুন্য।বাজারে নকনা আম ২০-২২ প্রতি কেজি ও ন্যাংড়া আম ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।বিভিন্ন ব্যবসায়ী দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আমের এমন দাম তাদের ব্যবসার প্রতি আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে। আমের দাম বছর পার হচ্ছে কম হচ্ছে। এমন ভাবে চললে তারা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ঋণের চাপ মাথায় উঠব। দেশে যে কয়েকটি আমের মোকাম রয়েছে, সবগুলোয় একই সঙ্গে আমবাজারে উঠেছে ও মোকামগুলো চালু হয়েছে। বাজারে আম বেশি থাকলেও ক্রেতা কম রয়েছে। ফলে চাষিরা দাম পাচ্ছেন না।সর্বপরি এ-ই বছরে রাজশাহীর বাঘায় ব্যাপক আমের উৎপাদন হয়েছে তার যদি সঠিক দাম আম চাষিরা পেত তাহলে তারা অনেক লাভবান হত।কিন্তু আমের চাহিদা অন্যান্য বছরের মত এ বছর কম।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
আমাদের এখান থেকে কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং আমাদের এখানে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোন প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পূর্ণ দায়ী থাকিবে নিউজ পেরন কারী সাংবাদিক। (মানবিক দৃষ্টি সীমানা ফাউন্ডেশন এর একটি প্রতিষ্ঠান) 
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It