1. admin@drstisimana.com : admin :
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
কুমিল্লাতে কোরআন অবমাননার ঘটনায় রাণীশংকৈলে প্রতিবাদ মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত। রামচন্দ্রপুর মেম্বার পদপ্রার্থী জাকারিয়া খানকে সকলে চায়। আড়ানী বিট পুলিশিং এর আয়োজনে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত। রেকর্ড জয়ে বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ।। ফাইতং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে বিট পুলিশ মতবিনিময় সভা। কবি মোঃ রাসেল হাসান এঁর কবিতা ‘মনের ভিটা’। বিনোদপুর ইউনিয়ন বাসী নৌকার প্রার্থী হিসেবে শরীফুল মাষ্টারকে চান। উলিপুরে ক্ষতিগ্রস্থ মন্দির ও পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ। জলঢাকায় ডাভ সেলফ এস্টিম প্রকল্পের অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত। সনাতন সম্প্রদায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে গাজীপুরে বিক্ষোভ।

কালিয়াকৈর কেঁচো সার উৎপাদনে সফলতা পেয়েছেন কৃষক আহমদ উল্লাহ।

মো. ইলিয়াস চৌধুরী, কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময়: শনিবার, ১২ জুন, ২০২১
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে:

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট) তৈরি করে সফলতার ছোঁয়া পেয়েছেন কৃষক আহমদ উল্লাহ। তার তৈরি এ সার জমিতে ব্যবহার করে এলাকার কৃষক বিষমুক্ত ফসল ও সবজি উৎপাদন করতে সক্ষম হচ্ছেন।এছাড়া কৃষি অফিসের পরামর্শে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে মাটির গুণাগুণ ঠিক রাখতে কৃষকরা তার উৎপাদিত কেঁচো সার ব্যবহারে ব্যাপকভাবে ঝুঁকে পড়েছেন। কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের ভাউমান টালাবহ গ্রামের কৃষক আহমদ উল্লাহ ২০১৯ সালে কৃষি অফিসের পরামর্শে তার আবাদ করা জমিতে ব্যবহারের জন্য সীমিত পরিসরে কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট) তৈরির উদ্যোগ নেন। ভাউমান টালাবহ বাজারসংলগ্ন এলাকায় গোবর ও কেঁচোর সমন্বয়ে এ সার তৈরি করতে প্রথম দিকে তার প্রতিবেশী দ্বারা বেশ সমালোচিত হন। তবে তিনি কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে কার্যক্রম চালিয়ে যান।

উৎপাদিত কেঁচো সার আহমদ উল্লাহ নিজ জমিতে ব্যবহার করে ফসলের ব্যাপক ফলন পাওয়ায় আশপাশের কৃষকেরা উদ্বুদ্ধ হন। তখন থেকে এ জৈব সারের চাহিদা বাড়তে থাকায় ২০২০ সালে ভার্মি কম্পোস্ট নামে একটি খামার তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। এ লক্ষে ১২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫ ফুট প্রস্থের পৃথক ৩৫টি হাউজ তৈরি করেন। প্রতি হাউজে দশ বস্তা গোবর ও পাঁচ কেঁজি কেঁচো থেকে প্রতি মাসে প্রায় পাঁচ মণ কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট) উৎপাদিত হয়। সব মিলিয়ে প্রতি মাসে তার এ খামার থেকে প্রায় ১৫০ মণ কেঁচো সার উৎপাদন হচ্ছে। যা তিনি প্রতি কেজি ১২ টাকা দরে কৃষকের কাছে বিক্রি করছেন। এ খামারে চারজনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।কেঁচো সার উৎপাদনে সফল কালিয়াকৈরের আহমদ উল্লাহর পরিচিত কৃষক আসাদুল সানা ও মিজানুর রহমান বলেন, কেঁচো সার ব্যবহার করে তাদের সবজী ও ফলের বাগানের মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাসায়নিক সারের ব্যবহার কম করায় ফসল উৎপাদনে খরচ কমেছে এবং গত বছরের চেয়ে সবজী ও ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে।

কৃষক আহমদ উল্লাহ বলেন, কৃষকেরা জমির গুণাগুণ ঠিক রেখে অল্প খরচে নিরাপদ সবজি ও ফসল উৎপাদন করতে পারে এ লক্ষ্যে আমি ভার্মি কম্পোস্ট খামার নিয়ে কাজ করছি। প্রতি মাসে আমার খামারে উৎপাদিত কেঁচো সার ও কেঁচো বিক্রি করে প্রায় এক লাখ টাকা আয় হচ্ছে।এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, কৃষক আহমদ উল্লাহর ভার্মি কম্পোস্ট খামারে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনা দিয়েছি। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও মাটির সুস্বাস্থ্য রক্ষায় কেঁচো সারের জুড়ি নেই। এ জৈব সার মাটির পানি ধারণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে জমিতে কম খরচে অধিক ফসল উৎপাদন সম্ভব। এ কারণে প্রতিনিয়ত কৃষকদের কেঁচো সার ব্যবহার করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। তিনি আরোও বলেন, কেঁচো সার প্রতি শতকে পাঁচ থেকে ছয় কেজি দিয়ে পরপর দু’বছর ব্যবহার করার পর মাটির উর্বরতা ফিরে এলে তখন তেমন রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রয়োজন হবে না। বর্তমানে কেঁচো সারের চাহিদা বাজারে ব্যাপক বেড়েছে। বেকার যুবকরা প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বল্প বিনিয়োগে এ সার উৎপাদন করে স্বাবলম্বী হতে পারেন। এতে ঝুঁকি ও পরিশ্রম দুটোই কম।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
আমাদের এখান থেকে কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং আমাদের এখানে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোন প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পূর্ণ দায়ী থাকিবে নিউজ পেরন কারী সাংবাদিক। (মানবিক দৃষ্টি সীমানা ফাউন্ডেশন এর একটি প্রতিষ্ঠান) 
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It