1. admin@drstisimana.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:১১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
মুন্সীগঞ্জে পানের দাম কমে যাওয়ায় চাষীদের মাথায় হাত। স্ত্রীর মামলায় সওজের প্রকৌশলী ঝিনাইদহ র‌্যাবের হাতে আটক। কাল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন বির্দশন বড়ুয়া। ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ‘ব্লাড ডোনার্স সোসাইটি ভালুকা’ এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকিতে ব্যাপক প্রস্তুতি। বুড়িগোয়ালিনী নৌকার প্রার্থী সুন্দরবন প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা। শ্রীপুর প্রেসক্লাবের নির্বাচনে নতুন সভাপতি আঃ লতিফ, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন। ছেলে কে ভর্তি করাতে এসে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল পিতার। মহাদেবপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত। নেত্রকোনায় দাদন ব্যবসায়ী ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে বাঘার কামার শিল্প।

আবুল হাশেম, রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময়: সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে:

রাজশাহীর বাঘায় কামার বা কর্মকারের পেশা সার্বজন স্বকৃত হলেও নানা প্রতিকুলতার কারণে এ পেশার সঙ্গে জড়িত বাঘা উপজেলার শতাধিক কামার পরিবারের ভাগ্যাশে নেমে এসেছে দুর্যোগের ঘনঘটা। প্রয়োজনীয় কাঁচামাল জ্বালানি কয়লা ও লোহজাত শিল্পে আধুনিক ব্যবস্থা প্রবর্তন হওয়ায় কামারদের সুদিন আর নেই। দা, বটি, কাস্তে, কোদাল, হাতুরী, এবং কুঠার তৈরী করাই কামার বা কর্মকারের প্রধান কাজ। বর্তমান সময়ে এসব জিনিসের চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় বলদ-নাঙ্গলের পরিবর্তে কলের নাঙ্গল ব্যবহার বেশী হওয়ায় কোদাল ও নাঙ্গলের ফাল তৈরীর পয়োজন হয়না বল্লেই চলে। দা-কুঠার যা-ই দু’একটি তৈরী হচ্ছে তা দিয়ে সংসার চলছেনা কামারদের। যাঁতি, ছেচুনিসহ বিভিন্ন সৌখিন সামগ্রিতে লৌহের ব্যবহারের পরিবর্তে অন্যান্য দ্রব্যাদি ব্যবহার হওয়ায়ও কামারদের আয়-রুজির পথ রুদ্ধ হয়ে আসছে।

উপজেলার ৭ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভার বিভিন্ন হাট-বাজারে এক সময় ৩ শতাধিক কামারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হতো কারক্রমে এদের সংখ্যা কমতে কমতে বর্তমানে একশতে দাঁড়িয়েছে বলে একটি বেসরকারী সংস্থার হিসাব মতে জানা গেছে। এসব কর্মকারের অবস্থা এতই করুণ যে ছেরে-মেয়েদের নিয়ে দু’বেলা দু’মুঠো আহার জোগার করতেই হিমশিম খাচ্ছে। সন্তানদের লেখা-পড়ার খরচ জোগাতে হিম শিম খেতে হচ্ছে তদের।আড়ানী বাজারের কর্মরত বিপ্লব চন্দ্র কর্মকার (সিবেন) ুজানান, লোহার মূল্য বৃদ্ধি,পাথর কয়লার সংকট সর্বপরি লোহার তৈরী সামগ্রির চাহিদা কমে যাওয়ায় কামারদের সুদিন শেষ হয়ে গেছে। সারাদিন কাজ-কর্ম করে দু’মুঠো পেটের ভাত জোগার করাই এখন কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমাদের ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা ও কোন স্বীকৃতি না থাকায় কামার সম্প্রদায় এ পেশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে।

বাঘা বাজারে কর্মরত বিষু কর্মকার জানান, এক সময় কামার পেশাটি রাজ-রাজাদের অতি প্রয়োজনে সৃষ্টি হয়ে ছিলো। তাদের ঢাল-তরবারী তৈরী করাই ছিল কর্মকারদের প্রধান কাজ। কালক্রমে রাজাদের রাজত্ব শেষ হওয়ার পর আধুনিক অস্ত্রের ব্যবহার শুরু হলে কামারদের কদর কমতে থাকে। ফলে কামারদের সংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। কর্মকাররা তাদের পৈতৃক পেশা ছেড়ে অন্যান্য পেশায় জড়িত হচ্ছে। বাপ-দাদার আমল থেকে এ পেশায় জড়িত থাকার ফলে কর্মকাররা নতুন কোন পেশায় গিয়ে সুবিধা করতে পারছেন না বলে তিনি জানান।দিঘা বাজারের গোপাল চন্দ্র কর্মকার বলেন, কামার শিল্পে ব্যপক ভূমিকা রাখতে পারে বাঘা উপজেলার কামাররা। এজন্য দরকার পয়োজনীয় ঋণ সুবিধা কাঁচামালের নিশ্চয়তা ও লোহার তৈরি জিনিপত্রর বিক্রয় ও বিপনের ব্যবস্থা করা।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
আমাদের এখান থেকে কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং আমাদের এখানে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোন প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পূর্ণ দায়ী থাকিবে নিউজ পেরন কারী সাংবাদিক। (মানবিক দৃষ্টি সীমানা ফাউন্ডেশন এর একটি প্রতিষ্ঠান) 
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It