1. admin@drstisimana.com : admin :
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
নওগাঁয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় চাম্পিয়নশীপ ফুটবল খেলার উদ্বোধন। নাসিরনগরে খেলনার প্রলোভনে শিশুকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার-১জন। নওগাঁয় চাচার বিরুদ্ধে ভাতিজাকে খুনের অভিযোগে থানায় মামলা। নরসিংদীতে “৩০ তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৩ তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস” পালিত। আজ ভোরের ঘুমের সময় আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে নাটোরে হুইল চেয়ার ও হেয়ারিং এইড বিতরণ। হাজীগঞ্জে বাস চাপায় ৩ জন নিহত। আমেরিকান প্রবাসীর কম্বল বিতরণ। লামায় পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির দুই যুগ পূর্তিতে আনন্দ র্র‍্যালী। নওগাঁর আদালতে মামলা হলো গাজীপুর সিটি’র বহিস্কৃত মেয়র এর বিরুদ্ধে।

ঝিনাইগাতীতে কিশোরী ইফা পৃথিবীর আলো দেখতে চায়।

শেরপুর সংবাদদাতাঃ
  • আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে:

অন্ধ জনের ব্যথা ক’জন বুঝতে পারে! যে পেয়েছে আঘাত, সেইতো বুঝতে পারে। তাই চোখের অবশিষ্ট সামান্য আলো যেন শেষ না হয় এমনই ব্যাকুলতা প্রকাশ করেছে কিশোরী ইফা খাতুন(১৩)। ইফা শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের থানা রোডের ইমরান হোসেনের মেয়ে। ইফার পিতা পেশায় একজন দর্জি। ৩ ছেলে মেয়ের মধ্যে ইফা বড়। ইভার পরিবার সুত্রে জানা যায়, ইফার জন্মের ৯ দিনের মাথায় বাম চোখে সামান্য ব্যতিক্রম মনে হলেও বিষয়টি পরিবারের লোকজন আমলে নেইনি। ইফার বয়স যখন ৬ মাস তখন তার চোখে ছানি দেখা দেয়। ডাক্তারের স্মরনাপন্ন হলে সাধ্যমত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পরেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে বাম চোখটি একেবারেই অকেজো হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ডান চোখের সমস্যা দেখা দেয়। ইফার গরীব পিতা-মাতা তাদের আদরের সন্তানের অন্য চোখটি বাচাঁতে বড় বড় ডাক্তার দেখান। ইফাকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে তার বাবা-মা বর্তমানে সবর্শান্ত। ইফা বতর্মানে বাংলাদেশ ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের রেটিনা বিভাগের প্রধান ডা: মমিনুল ইসলামের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীণ রয়েছে। ডাক্তারের পরামর্শ মতে ২৩শত পাউয়ারের চশমা পড়েও কাজ হচ্ছেনা। এর জন্য প্রতি মাসে ঢাকায় নিয়ে ডান চোখটি ওয়াস করা, ঔষধ ও যাতায়াত সহ খরচ হয় প্রায় ৫ হাজার টাকা। এছাড়া বাড়ীতে আনার পর সারা মাসে ড্রপ ও ঔষধ বাবদ খরচ হয় প্রায় ৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে মাসে প্রায় ১০ হাজার টাকা চিকিৎসা বাবদ খরচ যোগাতে হয় ইফার গরীব বাবা-মাকে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের রেটিনা বিভাগের প্রধান ডা: মমিনুল ইসলাম ইফার বাবাকে জানিয়েছেন, আগামী ৬ মাস একই প্রক্রিয়াতে ইফার চিকিৎসা চলবে। এতে ইফার সামান্য ভাল থাকা ডান চোখটির যদি উন্নতি দেখা না দেয়, সেক্ষেত্রে ইফাকে বিদেশ নিয়ে উন্নত মানের চিকিৎসার মাধ্যমে ভাল করা যেতে পারে। এমতাবস্থায় ইফার বাবা-মা তার চিকিৎসার খরচ বহন করতে হিমশিম খাচ্ছে।কিশোরী ইফা বলেন, এই সুন্দর পৃথিবীকে আমি দেখতে চাই। আমি আপনাদের মাঝে বাঁচতে চাই। তাই এই প্রতিনিধির মাধ্যমে দেশ-বিদেশের সকলের কাছে আমার বাকি ১টি চোখের আলো ধরে রাখতে সকলের কাছে সহযোগীতা চাই।ইফার বাবা ইমরান হোসেন জানান, “আমার মেয়ের চিকিৎসার খরচ যোগান দিতে গিয়ে আজ আমি সর্বশান্ত। তার পড়েও মেয়েটিকে ভাল করতে পারছিনা। এতদিন এক চোখে কোন রকমে দেখতে পেতো, সেটার আলোও দিনদিন কমে আসছে। তার অনাগত ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি দিশেহারা। তাই আমার মেয়ের চোখের আলো ধরে রাখতে সমাজের অর্থবান ও বিত্তবানদের কাছে সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছি।” যদি কেহ ইফার চিকিৎসা বাবদ সহযোগীতা করতে চান, তাহলে ০১৪০৫-৪৬৯৯৬১ নম্বরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছেন ইফার বাবা ইমরান হোসেন।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
আমাদের এখান থেকে কপি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং আমাদের এখানে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ আমাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া। কোন প্রকার মিথ্যা নিউজ হলে তার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না সম্পূর্ণ দায়ী থাকিবে নিউজ পেরন কারী সাংবাদিক। (মানবিক দৃষ্টি সীমানা ফাউন্ডেশন এর একটি প্রতিষ্ঠান) 
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: FT It